মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রাকৃতিক সম্পদ

কক্সবাজারে চলতি মৌসুমে লবণ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। বিসিকের হিসাব মতে, ১৫ লাখ ৪৫ হাজার টন লবণ উৎপাদন হয়েছে। অথচ চলতি মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫ লাখ ২০ হাজার টন। অনুকূল আবহাওয়া এবং আধুনিক (পলিথিন) পদ্ধতি ব্যবহারে লবণ উত্পাদনে সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে মনে করে বিসিক। তবে বাম্পার উত্পাদন হলেও মাঠ পর্যায়ে লবণের দাম কেজি প্রতি ৪ টাকারও কম বলে জানিয়েছেন চাষিরা। যেখানে বাজারে প্যাকেটজাত লবণের দাম কেজি প্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

কক্সবাজারস্থ বিসিক লবণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমের শুরুতে বিসিক দেশে লবণের চাহিদা ১৫ লাখ ৬ হাজার টন নিরূপণ করে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ১৫ লাখ ২০ হাজার টন। গত নভেম্বর মাসে উত্পাদন মৌসুম শুরু হলে ধীরে ধীরে লবণ চাষীরা মাঠে নামে। বর্তমানে দেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ৬৫ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। এরমধ্যে নব্বই ভাগের বেশি এলাকা কক্সবাজার জেলায়। কক্সবাজারসহ দেশের কয়েকটি উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্রের লবণাক্ত পানি মাঠে আটকে সূর্যের তাপে শুকিয়ে লবণ উৎপাদন করা হয়। সাধারণত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত লবণ উৎপাদন করা যায়। তবে চলতি মৌসুমের লক্ষ্যমাত্রা গত ২৫ এপ্রিল ছাড়িয়ে গেছে।

কক্সবাজারস্থ বিসিক লবণ প্রকল্পের গবেষণা কর্মকর্তা এটিএম ওয়ালিউল্লাহ জানান, গত ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে লবণ উৎপাদন হয়েছে ১৫ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন।

ছবি